Monthly Archives: ডিসেম্বর 2010

প্রেম

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

প্রেম

সঞ্জয় ভট্টাচার্য

——————————–

মনে থাকবে না;

এই আলো, এ বিকেল, এই বেচা-কেনা,
এই কাজ-প্রেম, রাঙা জীবনের দেনা
এ নিবিড় পৃথিবীর, নিজেদের হঠাৎ এ চেনা
মনে থাকবে না।

Read the rest of this entry

নতুন করা ৫টি ব্যানার

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

বড় দিনের ব্যানার-১

বড় দিনের ব্যানার -২

স্বাগতম ২০১১ (১)

স্বাগতম ২০১১ (২)

স্বাগতম ২০১১ (৩)

গাল-গল্পের চরিত্ররা (পর্ব-১)

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

জিউস্‌ (Zeus)

জিউস ছিলেন দেবতাদের অধিপতি, মানব ও বজ্রের দেবতা এবং অলিম্পাসের শাসনকর্তা। রোমান পৌরাণিক কাহিনীতে জিউস জুপিটার(Jupiter) নামে পরিচিত। হেসিয়ডের থিওজেনি (Hesiod’s Theogony) গ্রন্থের মতে, জিউস বিভিন্ন দেবতাদের মধ্যে তাঁদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেন। তিনি ক্রোনাস (Cronus) ও রেয়ার (Rhea) কনিষ্ঠ সন্তান।

Read the rest of this entry

বিজয়ের মাসে আসুন নিজে বানায় বিজয়ের পতাকা

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

আজকে আমরা ফটোশপের একটি অতি সহজ টিউটরিয়ালের মাধ্যমে কীভাবে রিয়েলস্টিক জাতীয় পতাকা বানানো যায় সেটি দেখব।

নিচে একটি কাপড়ের ছবি দেওয়া আছে।

এটি আপনার কম্পিউটারে Cloth নামে সেভ করুন।

প্রথম কাপড়ের ছবিটি ফটোশপে ওপেন করতে হবে। এর পর মেনুবার থেকে Filter>Blur>Gaussian Blur এ ক্লিক করতে করুন। এখন একটি ডায়লগ বক্স আসবে। সেখানে Radius এর মাত্রা 4.0 পিক্সেল সেট করে ওকে করে বের হয়ে আসুন।

এখন File>Save as – এ ক্লিক করুন। ছবিটিকে PSD ফরম্যাটে “cloth texture” নামে সেভ করে ফাইলটি ক্লোস করে দিন।

Read the rest of this entry

সামনে নতুন আরেকটি যুদ্ধ, আপনি কি প্রস্তুত?

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

বিচারপতি হাবিবুর রহমান কিছুদিন আগে মন্তব্য করেছিলেন,

“৪০ বছর ধরে একটি লাশ আমরা বয়ে বেড়াচ্ছি। এখন সময় হয়েছে সে লাশের সৎকারের ব্যবস্থা করা ।”

৪০ বছর ধরে যে পচা-গলিত শবটি আমরা বয়ে বেড়াচ্ছি সেটি হচ্ছে ৭১-এর যুদ্ধাপরাধ। যে লাশটিকে অনেক আগে কবর দেওয়া দরকার ছিলো সেটিকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং গোষ্টিগত স্বার্থে প্রলোভনে জাতির কাঁধের উপর রেখে দেওয়া হয়েছে আর সে গলিত-পচা শবের দুর্গন্ধে বিশাক্ত হয়েছে আমাদের রাজনৈতিক, সামাজিক পরিবেশ।

তবে দেরিতে হলেও এ সরকার এ লাশের সৎকার করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে এ সরকারকে মনে রাখতে হবে উদ্যোগ নিয়েও যদি এবারে এ লাশের  সৎকারের ব্যবস্থা আমরা করতে না পারি তাহলে খুঁচাখুচির কারণে এর দুর্গন্ধ আরো বাড়বে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তার বিশাক্ততা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত বর্তমান ক্ষমতাসীন দলকেই। এ যাত্রায় ব্যর্থ হলে জাতি তাদেরকে কোনোদিনও ক্ষমা করবে না।

আমাদের মনে রাখতে হবে জাতি হিসাবে অনেকদিন ধরে বয়ে বেড়ানো এ কলঙ্কটাকে চাপা দেওয়ার এটাই শেষ সুযোগ। যারা আমাদের বাবাকে হত্যা করেছে, ভায়ের রক্তে হোলি খেলেছে, মায়ের বুক খালি করেছে, বোনের সম্ভ্রম লুট করেছে সে কুলাঙ্গার নুপংশকদের যদি এ বারও যদি আমরা বিচারের আওতায় আনতে না পারি তাহলে সেটি হবে মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর নতুন প্রজন্ম হিসাবে আমাদের চরম ব্যর্থতা।

বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে জনগনের বিশেষ করে তরুন প্রজন্মের সমর্থন সরকারের জন্য অপরিহার্য। নতুন প্রজন্মের এ কথাটি ভাবার কোন অবকাশ নেই যে যুদ্ধাপরাধের মতো একটি পুরানো বিষয়কে টানা-হেঁচড়া করে কী লাভ? তার চেয়ে সবাই মিলে দেশকে গড়ার কাজ করলেই তো ভালো। অতীতের কালিমাকে ললাটে ধারণ করে আলোকিত ভবিষ্যৎ কখনোই গড়ে তোলা যায় না। যুদ্ধাপরাদের কলঙ্কের বোঝা বড্ডো ভারী। এ ভারী বোঝা নিয়ে একটি নবীন জাতি কখনো সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে না – বারবার হোঁচট খাবে। তাছাড়া জাতি হিসাবে নিজেদেরকে সভ্য হিসাবে প্রমাণ করতে গেলে আমাদের উপর একটা নৈতিক বাধ্যবাধকতা আছে এ সকল গণহত্যার বিচার করার। যুদ্ধাপরাধ কখনো তামাদি হয় না। ২য় বিশ্বযুদ্ধের এত বছর পর সে সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনো চলছে।

Read the rest of this entry

১৪ই ডিসেম্বরঃ স্মরণের আভরণে যত্নে রাখি ঢাকি

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

বুদ্ধীজীবি হত্যা দিবস

বছর পরিক্রমায় আজ আবারও ফিরে এসেছে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস। স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে উপনীত একটি দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করার মাধ্যমে একটি জাতিকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করার নির্মমতার ৩৯ বছর পূর্তি হলো আজ ।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাত্রে “অপারেশন সার্চ লাইট” নামে যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ পাকিস্তানি হানাদারেরা শুরু করেছিল তা অব্যাহত ছিলে ডিসেম্বর ১৬ তারিখ চূরান্ত বিজয়ে পূর্বক্ষণ পর্যন্ত। এ কাজে তাদের সহযোগীতা করেছিল এদেশেরই কিছু কুলাঙ্গার, নপুংশক রাজাকারের দল। তারা সম্মিলিতভাবে ৯মাস ব্যাপী সারা দেশে চালিয়েছে অমানবিক হতা, ধর্ষণ এবং লুট-তরাজের রাজত্ব। এমনকি ১৬ডিসেম্বর পরেও এসকল ঘাতক এবং স্বাধীনতাবিরোধীদের দৌরাত্ম্য থেমে থাকে নি। ১৬ডিসেম্বর পরেও এদের হাতেই নিহত হয়েছে বাংলাদেশের একাধিক বুদ্ধিজীবি। কিন্তু যেহেতু ১৪ই ডিসেম্বরে সবচেয়ে বেশী বুদ্ধিজীবীদের নিধন করা হয়েছিল এবং তা’ অত্যন্ত পরিকল্পিত ভাবে তাই বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ এই দিনকে “শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস” ঘোষনা করেন।

একাধিক সুত্রে জানা যায়, পাক বাহিনী ও জামাত এ ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ক্যাডারগ্রুপ বুদ্ধিজীবীদের নিধনযজ্ঞের হোতা । আল বদর বাহিনীর যে দুইজন জল্লাদের নাম জানা গেছে তারা হলঃ চৌধুরী মাইনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান । তালিকা প্রণয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও হাত রয়েছে বলে জানা গেছে । ”বুদ্ধিজীবী নিধন তদন্ত কমিশন ১৯৭১ ” প্রফেসর ডঃ সৈয়দ সাজ্জাদ হোসইনের কর্তৃক প্রণিত একটি দলিল পায় বলে জানা যায়। (সুত্রঃ নিউ এজ,ঐ)। কিছু সুত্রমতে, তালিকা প্রণয়নে মার্কিন গেয়েন্দা সংস্থা সি আই এ এর ভুমিকা রয়েছে বলে জানা যায় । (সুত্র : ডঃ এম এ হাসান, যুদ্ধোপরাধ,গনহত্যা ও বিচার অন্যেষণ ,ঢাকা ,২০০১)

Read the rest of this entry

আমার করা কিছু ব্যানার

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

জেল হত্যা দিবস

শারদ শুভেচ্ছা

শিশু অধিকার সপ্তাহ এবং বিশ্ব কন্যা সন্তান দিবস

Read the rest of this entry

কবিতা লেখার প্রথম অপচেষ্টা

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

“আপা, গদ্যের এবরো-থেবরো বন্ধুর পথে আমার কলম গড়গড়িয়ে চলে,কিন্তু কবিতার ছন্দের চোরাগলিতে সে কেমন জানি পথ হারিয়ে ফেলে। তাই মনে হয় না আমার মাথা কুটে ভেঙে ফেললে কিংবা আমার কলমের মাথা সাদা পাতার দেয়ালে ঘষতে ঘষতে ক্ষয় করে ফেললেও ঐ কলম ব্যাটা দু’লাইনও কবিতা প্রসব করতে পারবে।

তারপরও যদি আপনি উদ্যোগটা নেন তাহলে পথ হারাবার জন্য হলেও আমার কলমটাকে আপনার খাতিরে ছন্দের চোরাগলিতে নামিয়ে দিব। তাতে সে ব্যাটা পথ হারাক কিংবা সাদা কাগজের দেয়ালে মাথা কুটে মরুক”।

প্রথম আলো ব্লগের মেঘবতী আপার একটি পোষ্টে ঠিক এভাবেই কবিতা লিখায় আমার অক্ষমতাটা প্রকাশ করেছিলাম। তারপরও আজ কেনো জানি একটা কবিতা লিখতে Read the rest of this entry

সত্যবদ্ধ অভিমান

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

সত্যবদ্ধ অভিমান

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

এই হাত ছুঁয়েছে নীরার মুখ
আমি কি এ হাতে কোনো পাপ করতে পারি ?
শেষ বিকেলের সেই ঝুল বারান্দায়
তার মুখে পড়েছিল দুর্দান্ত সাহসী এক আলো Read the rest of this entry

নানা রঙের দিনগুলিঃ নাটক দেখা

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

পৃথিবীতে সব কাজ সবাইকে দিয়ে হয় না। আবার অনেককে দিয়ে কোন কাজই হয় না। আমি হলাম দ্বিতীয় দলে। কোন কিছু গুছিয়ে করতেও পারি না, বলতেও পারি না। তারপরও আমি চেষ্টা করব যারা আমার ব্লগ পড়েন তাদের সাথে আমার জীবনের কিছু মজার ও স্মরণীয় ঘটনা শেয়ার করার জন্য। ঘটনাগুলি আসলেই মজার হলেও হয়ত আমার গুছিয়ে বলতে না পারার কারনে অতটা মজার নাও লাগতে পারে। আমি তাই শুরুতেই আমার অক্ষমতার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

শুরু করি স্কুল লাইফের একটা ঘটনা দিয়ে। আমি তখন ক্লাস সিক্স নাকি সেভেনে। ননী স্যার ছিলেন আমদের ক্লাস টিচার। ভীষন মজার মানুষ ছিলেন এই ননী স্যার। ছিলেন ক্রীকেট পাগল। ব্যাটের মত বেতটাকে ধরে ক্রীকেটের শট খেলার মতন করে ছেলেদের মারতেন। আমরা যদি একটু ‘ওহ…!’ করে শব্ধ করতাম তাহলে তিনি হেসে হেসে বলতেন, “মাত্র soft hand এ খেলে একটা single নিলাম, তাতেই এ অবস্থা? চার-ছয় মারা শুরু করলে তখন কী করবি?” Read the rest of this entry